টিডিএন বাংলা ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের প্রচার থেকে শুরু করে ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোদির বিরোধিতা করে গেছেন। এমনকি ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তিনিই প্রথম করেছিলেন। সম্প্রতি ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরেও তিনি একই অভিযোগ করেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। মমতা নিজেও বহুবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু তার দল তৃণমূল বাংলায় আশানুরূপ ফল করতে ব‍্যর্থ হয়েছে। দেশের মধ্যে বিজেপি শক্তপোক্ত ভাবে বিজয়ী হয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সরকার গঠন করতে চলেছে। বিজেপি অন্দরমহলে মিটিং করে নেতা নির্বাচন প্রক্রিয়া ইতি মধ্যেই শেষ করে ফেলেছে। তারা আবার নরেন্দ্র মোদিকেই নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে। তাই আগামী ৩০শে মে দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন নরেন্দ্র মোদি।

রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্টজনরা। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে রাজ‍্যের মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রাজনৈতিক ভাবে যতই বাক-বিতর্ক থাকুক না কেন, সেই সমস্ত বাক-বিতর্ককে পিছনে ফেলে মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন সূত্রে খবর, দেরিতে হলেও আমন্ত্রণ গ্রহণ করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,”আমার কাছে আমন্ত্রণপত্র এসেছে। আজকেই পাঠাচ্ছে। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছি। সবাই মিলে ঠিক করেছি, আনুষ্ঠানিক শপথগ্রহণ, আমরা চেষ্টা করব সেখানে থাকার। কালকের মধ্যেই পৌঁছতে হবে”।

এটা কি বরফ গলার ইঙ্গিত নাকি রাজনৈতিক বার্তা? এমন জল্পনা খারিজ করে দিয়েছেন খোদ মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়,”সাংবিধানিক সৌজন্যতা রাখছি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকার চেষ্টা করছি”।