নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা:
নতুন উপাচার্য আসতেই আলিয়া ইউনিভার্সিটিতে ফের ইসলামী স্টাডিজ সেন্টার খোলার দাবিতে বৈঠক করলেন সংখ্যালঘু নেতারা। শুক্রবার জুমার নামাজের পর নিউটাউন ক্যাম্পাসে উপাচার্য মহম্মদ আলির সাথে বৈঠকে বসেন বিভিন্ন মুসলিম নেতা। নতুন উপাচার্যকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে সংখ্যালঘু নেতারা ইসলামিক থিউলজি সেন্টার রাখার দাবি জানান।
বেশ কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউটাউন ক্যাম্পাস চত্বরে ইসলামি থিওলোজি স্টাডি সেন্টারগুলি তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ করে ফুরফুরা, বেলডাঙা, সাতুলিয়া মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন স্টাডি সেন্টারের ছাত্রছাত্রীরা। সেই সাথে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যকে নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা। এই আন্দোলনের কিছুদিন পর যাদবপুর ইউনিভার্সিটির কেমিস্ট্রির অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীকে আলিয়ার উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বেশ কিছুদিন যাবার পর শুক্রবার ফের আলিয়ার ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান জানান সংখ্যালঘু নেতারা। সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক মুহাম্মদ কামারুজ্জামান টিডিএন বাংলাকে বলেন,”আলিয়া ইউনিভার্সিটি তৈরি হয়েছে ইসলামী থিউলজিকে কেন্দ্র করে। সংখ্যালঘুদের নিজস্ব এই প্রতিষ্ঠানে ইসলামি কালচার থাকবে। কিন্তু বর্তমানে আলিয়ার বহু সমস্যা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলার থিউলজির ১৩ টি স্টাডি সেন্টার বন্ধ করার চক্রান্ত চলছে। আমরা আলিয়া কে নিয়ে কোনও চক্রান্ত মেনে নেবনা।”
এদিকে উপাচার্য এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
তবে সংখ্যালঘু নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে আলিয়া ইউনিভার্সিটির সমস্যা চললেও সরকার এই বিষয়ে মাথা ঘামাচ্ছেনা। সরকার চাইলেই সমস্যার সমাধান করতে পারে, সরকাকে উদ্যোগ নিতে হবে। আলিয়ার অধীনে কলেজ তৈরি হোক। সেখানে আরবী, ইসলামিক থিউলজি, বাংলা, ফিজিক্স সহ সব বিষয়ে পোড়ানোর সুযোগ করা হোক।  কিন্তু এখন মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিয়া ইউনিভার্সিটি। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন করলেও সমস্যার সমাধানে সরকার কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ।