কয়েকদিনের টানা পোড়েনের পর অবশেষে ব্রিগেডে সভা করার অনুমতি পান মোহন ভাগবত। আজকের ব্রিগেডের সভা থেকে হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হবার ডাক দিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের চালক মোহন ভাগবত। এদিন আরএসএস সুপ্রিমো কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে নিজের বক্ত্যব্যে বলেন, “মোঘলযুগ বা ব্রিটিশ যুগ,আমাদের দুর্বলতার জন্যই হয়েছে। আমাদের এক হতে হবে, শক্তি অর্জন করতে হবে। যার শক্তি আছে তাঁকে সকলেই সম্মান করে, যার শক্তি নেই তাঁকে কেউ গুরুত্ব দেয়না।”
এদিন হিন্দুদের শক্তি অর্জন এবং শক্তি সংগ্রহের বাণী উচ্চারণ করেছেন মোহনভাগবত। মোহন ভাগবতের বক্ত্যব্য সম্পর্কে মন্ত্যব্য করতে গিয়ে মুহাম্মদ কামরুজ্জামান টিডিএন বাংলাকে বলেন, “মোহন ভাগবত পরোক্ষভাবে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যেই এই ধরণের কথা ঘোষনা করেছেন। ভারতের মত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে এই ধরনের কথা মোটেও কাম্য নয়।”
কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকা বিজেপির দোসর আরএসএসের হিন্দু জাগরণের এহেন আলোচনার পর তোলপাড় রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, কেন অন্যান্য কোন ধর্মের কথা এবং সুবিধা – অসুবিধার কথা এদিন আলোচনা হলনা ?  তাহলে কী কেন্দ্র সরকার শুধু হিন্দুদের ?
এদিন হিন্দু সংগঠনের ওই নেতা বলেন, “গোটা দেশে হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের জন্য কর্মী তৈরি করতে হবে। হিন্দুদের সুরক্ষার জন্যই হিন্দু সংগঠন। এত বড়ো হিন্দু সমাজ, এই সমাজের ইতিহাস, ঐতিহ্য আছে।” রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ হিন্দু সমাজের জন্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি কর্মীদের বলেন, “বিরোধ থাকবে, সেই বিরোধের সমাধান করে কাজ করতে হবে।” মোহন ভাগবতের ভাষণের পর আবার আরএসএসের শারীরিক ট্রেনিং শুরু হয়।