ফিরোজ আহমেদ,রাজারহাট : আন্দোলন কিছুতেই থামছেনা।এক গুচ্ছ দাবী দাওয়া নিয়ে লাগাতার আন্দোলন, ধর্না যার জেরে টানা এগারো দিন পঠন পাঠন বন্ধ নিউটাউনের আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে।আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন রত ছাত্রছাত্রীদের দাবি,আলিয়াকে দুর্নীতি মুক্ত করা হবে এবং দুর্নীতি পরায়ন ভি সি কে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাড়িয়ে নতুন করে পঠনপাঠন শুরু হবে। নিউটাউনে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের এই লাগাতার আন্দোলন কে সমর্থন করে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে আলিয়ার আরো দুটি ক্যাম্পাসের ছাত্রছাত্রীরা। তাদের বক্তব্য, ‘মেধাবী ছাত্রছাত্রী দের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলে খেলা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাই তাদের ন্যায্য দাবির সমর্থনে আমারা অংশগ্রহণ করেছি।”
আজ শুক্রবার ছাত্রছাত্রীদের এই আন্দোলনের একাদশতম দিন। সকাল থেকেই ছাত্র ছাত্রীরা মুখে কালো কাপড়, হাতে কালো পতাকা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে একটি মিছিল বার করে। ভিসি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতেই কালো পতাকা দেখানো হয় এবং ছাত্রছাত্রীরা ভিসিকে উদ্দেশ্য করে শ্লোগান দিতে থাকে, ‘অপদার্থ, দুর্নীতি পরায়ন ভিসি দূর হঠ’।
উল্লেখ্য ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর থেকে কাজ শুরু করার মাত্র ১৯ মাসে গড়ে ওঠে এই বিশ্ববিদ্যালয়। ২৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ তলা এই ভবনটিতে বৃহৎ ল্যাবরেটরি, কর্মশালা, সেন্ট্রাল লাইব্রেরির ব্যাবস্থা থাকলে ও ছাত্র ছাত্রীদের দাবি,’ লাইব্রেরিতে উপযুক্ত পাঠ্যক্রম অনুযায়ী বই এর অভাব এর পাশাপাশি ল্যাবরেটরির অবস্থা শোচনীয়।’ এছাড়াও ১২৪০ জন ছাত্র ও ৮৪০ জন ছাত্রীদের জন্য হস্টেল এর ব্যাবস্থা করার কথা থাকলেও ছাত্রছাত্রীদের বক্তব্য, ছাত্রী আবাস তৈরি হয়ে গিয়েছে এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিন মাস আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে এই ছাত্রী আবাস এর উদ্বোধন করে দিয়েছে তবুও ভিসি এবং রেজিস্টার ছাত্রীদের থাকার জন্য ঘর দিচ্ছে না। বাধ্য হয়ে ছাত্রীরা মোটা টাকা দিয়ে বাইরে থেকে পড়াশোনা করতে হচ্ছে।”
আজ ছাত্র নেতা গিয়াসউদ্দিন মন্ডল টিডিএন বাংলাকে বলেন,”আলিয়া উনিভার্সিটির আন্দোলন চলবে: যত দিন না  জালিয়াত উপাচার্য পদত্যাগ করছে।”