নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, মুর্শিদাবাদ : বিহার ও ঝাড়খন্ডে প্রবল বর্ষনের ফলে ফরাক্কায় গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধি হওয়ায় ফরাক্কা বাঁধের ডাউন স্ট্রীমে শুরু হয়েছে ভয়াবহ ভাঙ্গন। ভাঙনে গঙ্গায় তলিয়ে গেল প্রায় ৫০ টিরও বেশি বাড়ি। ভাঙ্গনের আতঙ্কে নদীর তীরে বসত ভিটে ছেড়ে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় শ’খানেক পরিবার। জানা গেছে, ফরাক্কার গঙ্গার পূর্ব পাড়ে অবস্হিত বেনিয়াগ্রাম গ্রামপঞ্চায়েতের হোসেনপুর ও নয়নসুখের কুলিদিয়ার ও পার সূচাপুর গ্রাম। এই গ্রামে কয়েক হাজার বাসিন্দার বাস। দীর্ঘদিন থেকেই এলাকাটিতে ভাঙনের প্রকোপ চললেও প্রশাসনিক কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। ফলে প্রতি বছর
বর্ষা শুরু হতেই গঙ্গার জলস্তর ফুঁলে ফেঁপে ওঠেছে। ভাঙছে নদীর পাড়।

গত বৃহস্পতিবার আচমকাই হোসেনপুর গ্রামে গঙ্গায় ভাঙ্গন দেখা দেয়। মূর্হতের মধ্যে সর্বনাশী গঙ্গা গ্রাস করে একের পর এক বসত ভিটে, ফসলের জমি। ভাঙ্গনে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কার হাত থেকে বাঁচতে বসত ভিটে প্রযোজনীয় জিনিষপএ ছেড়ে আপাতত ত্রিপলের তলায় আশ্রয় নিয়েছেন কয়েকশো গ্রামবাসী। ভাঙ্গনের চব্বিশ ঘন্টার পরেও ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় সরকারি এান সামগ্রী না পৌঁছানোয় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে স্হানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। অন্যদিকে দীর্ঘ চার বছর ভাঙ্গনরোধের কোন কাজ না হওয়াতেও তীব্র ক্ষোভ সঞ্চারিত হয়েছে গ্রামবাসীদের মধ্যে।

ভাঙন প্রসঙ্গে ফরাক্কার বিডিও আবুল আল মাবুদ আনসার জানান, ভাঙ্গন রোধের দায়িত্ব ফরাক্কা বাঁধ কর্তৃপক্ষের। তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। শীঘ্রই তারা জরুরী ভিওিতে কাজ শুরু করবে তারা। পাশাপাশি ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় সরকারি ভাবে এিপল ও শুকনো খাবার পৌঁছানোর ব্যবস্হা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।