টিডিএন বাংলা ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জেলা মুর্শিদাবাদ।এখানে সংখ্যালঘু মানুষের বাস বেশি।এক সময় মুর্শিদাবাদ বাংলার রাজধানী হলেও আজও অবহেলা আর অবজ্ঞার শিকার এই জেলা।সব রাজনৈতিক দল এখানে মানুষকে বিভ্রান্ত করে হিংসায় মাতিয়ে রেখে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে তৎপর।

তাইতো লোকসভা নির্বাচন হয়ে যাবার পরও খুনো খুনী বন্ধ হচ্ছেনা এই জেলায়।লোকসভা নির্বাচনের প্রচার চলাকালীন এই জেলার ডোমকলের কুচিয়া মারা গ্রামে খুন হন প্রাক্তন প্রধান আলতাফ শেখ। আবার খুন হলেন একই পরিবারের খাইরুদ্দিন , সোহেল ও তাঁদের আত্মীয় রোহিদুল হালসানা। রাজনৈতিক খুনোখুনি এখানে কোন নতুন ঘটনা নয়।নেতারা উন্নয়ন না করে সাধারণ মানুষকে হিংসায় উস্কে দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে তৎপর।২০১২ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মারা গিয়েছিল ১০/১২ জন।গোটা দেশে সে সময় এটা আলোড়ন সৃষ্টি করে ছিল।

কেনো এতো খুনোখুনি?কী কারণ আছে এর পিছনে? জানতে চেয়েছিলাম ডোমকলের ভূমি পুত্র,বিশিষ্ট সমাজ কর্মী আশরাফুল ইসলামের কাছে।তাঁর মতে খুনো খুনির পিছনে আছে বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রকাশ্য ও প্রচ্ছন্ন মদত।বাম আমলে দুষ্কৃতীরা দলের ছত্রছায়ায় যেমন ঠাঁই পেত বর্তমানেও সমান ভাবেই রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় লালিত হচ্ছে দুষ্কৃতীরা। সাম্প্রতিক যে ঘটনা ঘটেছে তা হয়েছে পুলিশের নাকের ডগায়। পুলিশ চাইলে অন্যরকম কিছু হতে পারত।কিন্তু এসব ক্ষেত্রে পুলিশকে সবসময় নিষ্ক্রিয় থাকতে দেখা যায়। বেকারত্বের হতাশা, দারিদ্র্য, অশিক্ষা সব মিলিয়ে মুর্শিদাবাদ এখন সংকীর্ণ স্বার্থবাদী রাজনৈতিক নেতাদের ঊর্বর ভূমি।