সামাউল্লাহ মল্লিক, কলকাতা : আজ দুপুর ২টা নাগাদ বালিগঞ্জে অবস্থিত মায়ানমার দুতাবাসের সামনে অবস্থান ঘেরাও করে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন, জামায়াতে ইসলামী সহ বেশ কয়েকটি মুসলিম সংগঠন। এই সভায় বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের নেতা কর্মী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সুখনন্দ সিং আলুওয়ালিয়ার মত কিছু মানবতা প্রেমী অমুসলিম ব্যাক্তিত্ব। মায়ানমার দুতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট থেকে পদযাত্রার মাধ্যমে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের ন্যাক্কারজনক আচরনে সেভেন পয়েন্টের অদূরে অবস্থিত এক মসজিদের কাছ থেকে শুরু করা হয়। পদযাত্রা শুরু হওয়ার আগে উপস্থিত জনতা মায়ানমারে মুসলিম হত্যার বিরুদ্ধে নোবেলজয়ী অং সান সুচিকে ধিক্কার জানান স্লোগানের মাধ্যমে। নির্ধারিত সময়ের একটু দেরীতে পদযাত্রা শুরু হলেও, কলকাতার রাজপথে পা মেলাতে দেখা যায় হাজার হাজার মানুষকে।

পদযাত্রা শেষে মায়ানমার দুতাবাসে ডেপুটেশন জমা দেওয়ার আগে বক্ত্যব্য রাখেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্ত্যব্য রাখতে গিয়ে সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক কামরুজ্জামান হুশিয়ারি বাক্য উচ্চারন করে বলেন, “এক সপ্তাহের মধ্যে যদি রোহিঙ্গা মুসলিম নিধন বন্ধ করা না হয় তাহলে, আমরা পুলিশের অনুমতি ছাড়াই দুতাবাসের বাইরে শান্তিপূর্ণ ঘেরাও করব।” শুধু এখানেই থেমে না থেকে উনি আরো বলেন, “আমরা আরো বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। যদি না এই ঘৃন্য কাজ তারা বন্ধ করে তাহলে, আমরা দশ হাজার মানুষ নিয়ে গোয়ায় বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে অনশনে বসব।”
এই সভায় জমিয়তে আহলে হাদীস, সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন, জামায়াতে ইসলামী হিন্দ, ফুরুফুরা শরীফ এর মত বড় বড় ইসলামিক দলের পাশাপাশি ভারতের সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন এসআইওর ভূমিকাও ছিল চোখে পড়ার মত।
এই সভায় অন্যন্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মাতিন, জামায়াতে ইসলামী হিন্দের রাজ্য সভাপতি নুরউদ্দিন শাহ প্রমুখ।
এই সভা রাজ্যের সুবিচার আন্দোলনে মাইলস্টোন হয়ে থাকবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।