টিডিএন বাংলা ডেস্ক: আগেই ভারতী ঘোষের জুনিয়র ডাক্তারদের কে পরামর্শ দেওয়া অডিও ফাঁস হয়েছে। স‍্যোশাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যেই সেই অডিও ভাইরাল হয়েগিয়েছে। সেখানে অভিযোগ উঠেছে ভারতী ঘোষের পরামর্শেই জুনিয়র ডাক্তাররা বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছেন। যদিও ভারতী ঘোষ এটা অস্বীকার করেছেন। তবে এবার প্রকাশ‍্যে বিজেপি রাজ‍্যসভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ জুনিয়র ডাক্তারদেরকে পরামর্শ দিলেন পরিষেবা চালু রেখে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ঝগড়া করার। তাঁর কথায়, জুনিয়র চিকিৎসকরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যত খুশি ঝগড়া করুন। কিন্তু তাঁরা পরিষেবা শুরু করে এই বিবাদ চালিয়ে যান।

গত সোমবার রাতে রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। একজন জুনিয়র চিকিৎসক গুরুতর আহত হন বলেও অভিযোগ। ওই ঘটনার পর থেকে এনআরএস-সহ রাজ্যের জুনিয়র চিকিত্সকরা কর্মবিরতি শুরু করেছেন।

পাশে দাঁড়িয়েছেন অনান্য চিকিত্সকরাও। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তাই মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষও মনে করেন যে এ রাজ্যে চিকিত্সা পরিষেবা দ্রুত শুরু হোক। তাড়াতাড়ি উঠে যাক ধর্মঘট।

দিলীপ ঘোষের দাবি, এই পরিবেশ তৈরির জন্য মুখ্যমন্ত্রী দায়ী। তবে তিনি মনে করেন এই সংকট কাটানোর জন্য রাজ্য সরকার ও জুনিয়র চিকিত্সক, দু’পক্ষকেই নমনীয় হতে হবে। এই প্রসঙ্গেই দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন, রাজ্যের সাধারণ মানুষ কী দোষ করল?

প্রসঙ্গত, রবিবার জুনিয়র চিকিত্সকদের জিবি বৈঠক ছিল। তার পর জুনিয়র চিকিত্সকরা জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁরা কর্মবিরতি তুলছেন না। বরং তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চান। তাঁদের দাবি, প্রকাশ্য কোনও স্থানে মিডিয়ার সামনে তাঁদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হোক।

এদিকে রবিবার রাজ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে প্রয়োজনে ১৪৪ ধারা ভেঙে তিনি কর্মসূচি পালন করবেন।