নিজস্ব প্রতিনিধি, টিডিএন বাংলা,  বীরভূম: লকডাউন একশো শতাংশ নিশ্চিত করতে বীরভূম জেলা জুড়ে পুলিশি অভিযান। জেলার সিউড়ি রামপুরহাট এবং বোলপুর এই তিন মহকুমা গ্রাম ও শহর এলাকায় পুলিশের অভিযান। সবজি বাজারের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।


     প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে গত সোমবার বিকাল থেকে জেলাজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও এখনো বহু মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব দেখা যাচ্ছে। এখনো অনেক মানুষ বিভিন্ন জায়গায় জায়গায় জটলা বসে গল্প গুজব করছেন বা মোটর বাইক নিয়ে অকারণে ঘোরাঘুরি করছে। সেই সব মানুষদের কে ঘরবন্দী করতে কঠোর পদক্ষেপ শুরু করেছে বীরভূম জেলা পুলিশ। গোটা জেলা জুড়ে পুলিশের টহল। অকারনে বাইরে কাউকে দেখলেই জমায়েত হয়ে থাকলেই পুলিশ বাধ্য হয়ে বল প্রয়োগ করছেন তাদের। বারবার সাধারণ মানুষের কাছে আপিল করার পরেও বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য পুলিশ এই পদক্ষেপ করছে বলে জানা গিয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় জমায়েত বা উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাঘুরি করার জন্য ২২ জনকে আটক করা হয়েছে। যদিও মুচলেখা দেওয়ার পর তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে সবথেকে বেশি ভিড় হচ্ছে জেলার বিভিন্ন সবজি বাজারে। সে ক্ষেত্রে ভিড় না করে সবজি বাজার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা বিধি জারি করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গল বার পর্যন্ত বীরভূম জেলায় হোম কোয়ারান্টাইন এর সংখ্যা ৫২১৮ জন। জেলায় মোট ৩৬ জন সরকারি হাসপাতালের আইসোলেশন  আছেন। সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ২৬ জন রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ জন এবং বোলপুর মাল্টিস্পেশালিটি ৩ জন আইসোলেশনে আছেন। যদিও আইসোলেশনে থাকা কোন ব্যক্তির দেহ রস নাইস ডে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়নি বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।


   বীরভূম জেলা জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বলেন,” জেলায় সবজি বাজার গুলিতে একটু বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেই  বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশিকা জেলাজুড়ে সাঁটানো হবে। সকল সাধারণ মানুষকে নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম  সিং বলেন,” অতি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে বাড়ির বাইরে যেতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হচ্ছে। এই নিদেশিকা না মানলে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।