কৌশিক সালুই, টিডিএন বাংলা, সিউড়ি: সকালে কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদ, ইস্তফা পত্রে স্বাক্ষর সিউড়িতে। বিকেলে গণ ইস্তফা প্রদান রামপুরহাটে। আর সন্ধ্যায় মোমবাতি মিছিল বোলপুরে। জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর হামলার প্রতিবাদে গোট দেশের সাথে উত্তাল আন্দোলন বীরভূমেও।

এনআরএস, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর প্রানঘাতি হামলা, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার বদলে উল্টে মুখ্যমন্ত্রীর হূমকি গোটা রাজ্যের সাথে বীরভূমের চিকিৎসক মহলের মধ্যেও ছড়িয়েছে তীব্র ক্ষোভ। শুক্রবার সকাল থেকেই হাসপাতাল চত্বরে পথে নামেন চিকিৎসকরা। সিউড়ি সদর হাসপাতালে বিপুল পরিমান রোগীর স্বার্থের কথা ভেবে তারা গণ ইস্তফাপত্র স্বাক্ষর করেও তা জমা না দিয়ে আর একটু অপেক্ষার সিদ্ধান্ত নেন।

তবে প্রতিবাদ কর্মসূচী হিসাবে প্রত্যেক চিকিৎসক কালো ব্যাজ পড়ে হাসপাতালে উপস্থিত অন্যান্যদেরও সমস্ত মানুষকেও কালো ব্যাজ পড়িয়েদেন। চিকিৎসকরা জানান, সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে আন্দোলনের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ। এদিনই বিকেলে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ৩৭ জন চিকিৎসক ইস্তফা জমা দিলেন কলেজ অধ্যক্ষের কাছে। রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, নার্সিং হোম, প্যাথলজি সেন্টারের কর্মী এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা মৌন মিছিল করেন।

আই এম এ-র রামপুরহাট শাখার সম্পাদক চিকিৎসক দেবব্রত দাস বলেন, “ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা এই পেশায় মহানব্রত নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন প্রশাসনের ভূমিকায় তাদের স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছে। তারা প্রশাসন ও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সামান সহমর্মিতা চেয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় সেই সহমর্মিতা সরকার দেখায়নি। এই পরিস্থিতে আমরা গন ইস্তফা জমা দিয়েছি।’’ সন্ধ্যায় বোমপুরে হাতে মোমবাতি নিয়ে বুকে কালো ব্যাজ লাগিয়ে পথে নেমেছেন চিকিৎসকরা। ব্যক্ত করেছেন তীব্র প্রতিবাদ। উগরে দিয়েছেন ক্ষোভ।