টিডিএন বাংলা ডেস্ক: কিছুদিন আগেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন কলকাতার  প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাদের নিয়ে ফের নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। মঙ্গলবার দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের সভায় আমন্ত্রিত হয়েও দুজনেই অনুপস্থিত ছিলেন। এদিনই আবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও হঠাৎ করে ফোন করেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। আর এই নিয়ে ফের জল্পনা শুরু হয়েছে।

অমিত শাহের সভায় উপস্থিত না থাকার কারণ হিসেবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ার কথা জানিয়েছেন বৈশাখী। সওয়াল করেছেন শোভনের হয়েও। ব্যস্ততার মধ্যে বার্তা কিন্তু একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে পূর্ব নির্ধারিত সভার দিনেই কেন ব্যক্তিগত এত কাজ রাখলেন শোভন-বৈশাখী। বিজেপি তথা অমিত শাহের সভাকে এড়িয়ে যেতেই এই ব্যস্ততা নয় তো! রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে তাঁরা বার্তা দিতে চাইলেন বিজেপিকে।

 তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের দিন থেকেই তাঁদের নিয়ে বিব্রত বিজেপি। তাঁরাও বিব্রত বিজেপিতে গিয়ে। দলে যোগ দেওয়া থেকেই তাঁরা বিতর্কে। এমনকি যোগদানের ১৫ দিনের মধ্যে তাঁরা বিজেপি ছাড়ার বার্তা দিয়ে দেন। তাঁরা গুরুত্ব ফিরে পেতে দিল্লিতেও দরবার করেন। শেষপর্যন্ত মুকুলের মধ্যস্থতায় একটু স্থিতাবস্থা আসে। এদিন আবার অমিত শাহের সভায় উপস্থিত না থাকা প্রসঙ্গে বৈশাখী বলেন, ব্যক্তিগত কাজ পড়ে যাওয়ায় সম্ভব হয়নি যাওয়া। শোভনদাও আদালতের জরুরি কাজে আটকে পড়েছিলেন। তা না হলে দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সভায় উপস্থিত না থাকার ধৃষ্টতা ছিল না আমাদের।

তবে তিনি এদিনই কেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করলেন, তা নিয়েও জল্পনার পারদ চড়ে। বৈশাখী জানান, নিতান্তই প্রাতিষ্ঠানিক কারণে তাঁকে ফোন করতে হয়েছিল শিক্ষামন্ত্রীকে। তাঁরা অমিত শাহের সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন আগে থেকে এবং ক্ষমা প্রার্থনাও করেছিলেন।