টিডিএন বাংলা ডেস্ক: চিন ইস্যুতে বরাবরেই চাপ বাড়ছে বামপন্থী সংগঠনের উপর। চিন-ভারতের সংর্ঘষের মধ্যে কমিউনিস্ট দেশ হিসাবে চিনের দালাল বলে সিপিএমকে আক্রমন করে থাকে। ‘চিনপ্রীতি’ হিসাবে সিপিএমের একটি প্রচার রয়েছে। তাদের, দলীয় মুখপত্র ‘গণশক্তি’র প্রতিবেদনে বহুবার ‘চিনপ্রীতি’ প্রকাশ পেয়েছে। এই অভিযোগ বর্তমান পরিস্থিতিতেও প্রকট আকার ধারণ করেছে। গণশক্তি ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি।এই পরিস্থিতিতে দলের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ভাবে সিপিএমে নেকারাও চিন বিরোধী ভূমিকা পালন করছেন। চিনপ্রীতি ভুলে প্রকাশে চিনের সমালোচনা শুরু করেছেন। সমালোচনার ক্ষেত্রে আমেরিকার সঙ্গে এক আসনে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে চিনকে। চিনকে উপযুক্ত শিক্ষা দিতে ওই দেশের পণ্য বয়কটের ডাক দিলেন সিপিএমের বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী। তার জন্য চিনা পণ্যের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসানোর দাবিতে সরব হলেন তিনি।
বামেদের মার্কিন-বিরোধিতা সুপরিচিত। তবে এবার চিন বিরোধিতাতেও ধার দিচ্ছেন বামপন্থী নেতারা। লাদাখ সংঘর্ষের পর দেশজুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের ডাকে গা ভাসালেন তাঁরা। শুধু চিনা পণ্যই নয়, আমেরিকার পণ্যের উপরেও উচ্চহারে কর বসানোর দাবি তুললেন সুজন চক্রবর্তী। বুঝিয়ে দিলেন, বামপন্থীদের চোখে আমেরিকার সঙ্গে চিনের আর কার্যত কোনও তফাৎ নেই। তাঁর কথায়, ”চিন আর আমেরিকার পণ্যে ছেয়ে গিয়েছে ভারতের বাজার। দেশের শিল্প ও কর্মসংস্থানের বারোটা বেজে গিয়েছে। আমরা চাই, বিদেশি পণ্যের বিক্রি কমুক, দেশে তৈরি পণ্যের বিক্রি বাড়–ক। প্রয়োজনে চিন ও আমেরিকার সামগ্রীর উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক কর চাপিয়ে দিক কেন্দ্র।”এ প্রসঙ্গে সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী সরাসরি কেন্দ্রকেই বিঁধেছেন। তাঁর মতে, বিজেপির চিনা পণ্য বয়কট কর্মসূচি স্রেফ লোকদেখানো। কারণ, কেন্দ্রই একমাত্র চাইলে এদেশে চিনা পণ্যের প্রবেশ আটকাতে পারে। সুজনের কটাক্ষ, বল­ভভাই প্যাটেলের মূর্তির প্যাকেজিং হয় চিনে। আর কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলই কি না চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দিচ্ছে! বিজেপির সাহস আছে চিনা দ্রব্য বয়কট করার? এই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।