নিজস্ব সংবাদদাতা,টিডিএন বাংলা, কলকাতা : অবশেষে ২৫ দিন খোঁজ পাওয়া গেল যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাঁওতাল মেধাবী ছাত্র সুশীল মান্ডির।কার্যত মানসিক ভাবে বিদ্ধস্ত অবস্থায় মেদিনীপুর থেকে সোমবার তাঁকে পাওয়া যায়।আর মঙ্গলবার টিডিএন বাংলাকে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সুশীল বলেন,”আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি আন্দোলনের কথা শুনে।এই অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে।নাজিবের জন্য লড়াই করেছি।আগামীতে রোহিত ও নাজিবের জন্য আরও আন্দোলন করতে হবে।”এদিকে সুশীলের ফিরে আসার পর যারপরনাই খুশি আন্দোলনকারীরা।দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করার পর দলিত মুসলিম আন্দোলনের নেতা শরদিন্দু উদ্দীপন বলেন,”সুশীলের মনে হয়েছে এই লড়াইয়ের ময়দান থেকে হারিয়ে গেলে জনগণ তাকে ভুল বুঝবে। তাকে কেন্দ্র করে যে সংগঠনগুলি তীব্র লড়াই করে চলেছে তাদের কাছে ভুল বার্তা যাবে। তাই লড়াইয়ের মধ্য দিয়েই সত্য প্রকাশিত হোক এই দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়ে সে তার বন্ধুদের কাছে ফোন করে।”
এর পরেই শরদিন্দু টিডিএন বাংলার মাধ্যমে সুশীলকে বলেন,”সাব্বাস সুশীল! এটাইতো তিলকা মাঝির শিক্ষা ! বিপক্ষ যতই শক্তিশালী হোক না কেন মূলনিবাসীরা লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পালায় না। ওরা চাইবেনা বহুজন মানুষ শিক্ষার অধিকারী হোক। যোগ্যতা অর্জন করে তার ভাগীদারী বুঝে নিক। ওরা শম্বূককে হত্যা করেছে, একলব্যের আঙ্গুল কেটে নিয়েছে, রোহিতকে হত্যা করেছে। নাজিবকে গায়েব করেছে। আমরা আর কোন রোহিত চাইনা।
তুমি নিশ্চয়ই জান যে, তোমার থেকে সহস্রগুণ অত্যাচার সহ্য করেও বাবা সাহেব আম্বেদকর পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ পণ্ডিত হতে পেরেছিলেন। মানুষকে দিতে পেরেছিলেন সংবিধান নামক রক্ষা কবজ। শুধু মনে রেখ তুমি আমাদের স্বপ্নের ফসল। কোন বর্গীকে সেই ফসল আমরা কেটে নিয়ে যেতে দিতে পারিনা।লড়াই কর। আমরা তোমার পাশে আছি।”সুশীলের জন্য আন্দোলনে নেমেছিল ইসলামি ছাত্র সংগঠন এসআইও,ফ্রেন্ডস অফ সুশীল,এপিডিআর সহ একাধিক সংগঠন ও বুদ্ধিজীবী।আজ সকলেই খুশি।