নিজস্ব সংবাদদাতা,টিডিএন বাংলা, কলকাতা : দুই বাংলাকে যুদ্ধ ক্ষেত্রে পরিণত করার ডাক দিলেন হিন্দু সংহতির নেতা তপন ঘোষ। ৫ মার্চ ফেসবুকে তিনি এই ডাক দেন।তপন ঘোষের ফেসবুক পোষ্ট এখানে হুবহু তুলে ধরা হল।হিন্দু সংহতির এই নেতা লিখেছেন,”আমার বন্ধু ও একই আদর্শের সহযাত্রী ডাঃ সুবোধ বিশ্বাস প্রশ্ন করেছেন, “ওপারে আমরা থাকতে পারব না। এপারে আমরা অনুপ্রবেশকারী। মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে, আমাদের ঠিকানা কোথায়?”

খুব কঠিন প্রশ্ন। তবু আমার উত্তর হচ্ছে,
এপার ওপার দুই পারকেই যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করতে হবে। সেই যুদ্ধক্ষেত্রই হবে আমাদের  প্রজন্মের ঠিকানা। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, আমাদের মধ্যে যারাই শিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত (জাতি/কাস্ট নির্বিশেষে) হয়ে যাচ্ছেন তারাই যুদ্ধ এড়িয়ে যেতে চাইছেন।
অথচ যুদ্ধ ও যোদ্ধা ছাড়া কোনো জাতি পৃথিবীতে সসম্মানে বাঁচতে পারে না। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় আমাদের পূর্বপুরুষরা ইসলামিক চ্যালেঞ্জের সামনে পড়ে সেই যুদ্ধ এড়িয়ে গিয়েছিলেন। তাই আজ আমাদের এই দুর্দশা।
একটু ইংল্যান্ডের দিকে তাকিয়ে দেখুন। ইংল্যান্ডের যুবরাজ প্রিন্স চার্লস ও ডায়ানার দুই পুত্র হ্যারী ও উইলিয়াম। ব্রিটিশ জাতির নয়নের মণি। তারা দুই ভাই ব্রিটিশ আর্মিতে যোগ দিয়েছিল। শুধু যোগ দেয়নি, তারা বিশ্বের সবথেকে বিপজ্জনক জায়গা আফগানিস্তানে যুদ্ধে গিয়েছিল তালিবান ও জেহাদিদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে।
কেন? কি দায় পড়েছিল তাদের ওই বিপদের মধ্যে যাওয়ার?
একমাত্র কারণ ছিল ব্রিটিশ জাতিকে, ইংল্যান্ডের যুবসমাজকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে উদবুদ্ধ করতে।
আর আমরা? আমাদের পূর্বপুরুষেরা? একটু তুলনা করে দেখুন।
তাই আজ আবার ইসলামিক আগ্রাসন ও ইসলামিক বিস্তারবাদের (দার-উল-ইসলাম) চ্যালেঞ্জের সামনে পড়ে আসুন, এপার ওপার দুই বাংলাকেই আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করি। সেই যুদ্ধক্ষেত্রই হোক আমাদের ঠিকানা। আমাদের এই প্রজন্মের ঠিকানা।
কেবলমাত্র তবেই আমাদের আগামী প্রজন্ম বাঙালি হিন্দু পরিচয় নিয়ে বাঁচতে পারবে। দোল দুর্গোৎসব নিয়ে বাঁচতে পারবে। হরিব্বোল ও হরিনাম নিয়ে বাঁচতে পারবে। শাঁখা-সিন্দুর, ডঙ্কা-শঙ্খধ্বনি নিয়ে বাঁচতে পারবে। নাহলে – – – – – – – – – – – – – – – – – -”