মোঃ মোস্তাক আহমেদ, টিডিএন বাংলা, মালদা : ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সাক্ষী রইলো চাঁচল মহকুমা লাগোয়া কলিগ্রাম নিমতলা এলাকায়। দুপুর ১২.৩০ নাগাদ টুনা খান এর বাড়ির রান্নাঘর থেকে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে হারেজ খান, সব্বুল খান, টারেজ খান ও বদরু খান এর বাড়িতে।

গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে প্রথমে দমকলকে ফোনে জানানো হয়। কিন্তু গ্রামবাসীর অভিযোগ, দমকলকে ফোন করলেও ফোন ধরা হয়নি। এখান থেকে লোক যাওয়ার পর প্রায় আধ ঘন্টা পরে এসে হাজির হয় ও আগুন নেভানোর কাজ এক ঘন্টা পরে শুরু হয়। তার মধ্যেই সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, দমকল আসলেও তাদের যান্ত্রিক পরিকাঠামোর জন্য আগুন নেভানোর কাজে বিলম্ব হয়।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে হতদরিদ্র চাষী পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে তাদের করুন অবস্থার কথা টিডিএন বাংলাকে জানান। হারেজ খানের বাড়ির প্রায় ৩০ কুইন্টাল ধান, আসবাবপত্র সমেত সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী চাঁচল-আশাপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ শুরু করে। গ্রামবাসীরা সকলেই রাস্তায় নেমে এই অবরোধ এ সামিল হয়ে প্রশাসনের কাছে জবাবদিহি দাবি করেছে। এক গ্রামবাসীর অভিযোগ, চাঁচল দমকল কেন্দ্র থেকে ঘটনা স্থলের দূরত্ব মোটামুটি ৫-৬ কিলোমিটার হওয়া সত্ত্বেও দমকলের ঘটনা স্থলে পৌঁছাতে আধ ঘন্টা কেন লাগবে? এছাড়াও তারা ওই হতদরিদ্র সর্বস্বহারা পরিবার গুলির জন্য সহযোগিতা দাবি করেছে।

চাঁচল দমকলের ওসি রতন কুমার সিংহ টিডিএন বাংলাকে বলেন, “এই অভিযোগ সম্পুর্ন ভিত্তিহীন। আমরা কল পাওয়ার ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে মুভ করি এবং এক ঘন্টার প্রচেষ্টায় প্রায় দুপুর আড়াইটা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।”