টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ছয় দফা নির্বাচন হয়ে গেছে। বাকি আছে আরও এক দফা। সেই নির্বাচন নিয়ে এখন জোর রাজনৈতিক লড়াই চলছে। কিন্তু বাংলায় এসে বিজেপি নেতারা যে ভাষায় কথা বলছেন, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলার বিদ্বজ্জনেরা। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ যেভাবে বাংলাকে কাঙ্গাল বলেছেন, তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন তারা। তাই এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন বাংলার সুশীল সমাজ।

আমার বাংলা সম্প্রীতির বাংলা। লুণ্ঠনকারী ও সাম্প্রদায়িক হানাদারদের রুখে দিন! এই বার্তা নিয়ে মঙ্গলবার কলকাতা প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠক করেন বাংলার বিদ্বজ্জনেরা। চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন, কবি জয় গোস্বামী, কবি সুবোধ সরকার, বিশিষ্ট গায়ক কবীর সুমন, নাট্য ব্যক্তিত্ব শাঁওলি মিত্র, সিনেমা ব্যক্তিত্ব অরিন্দম শীল,বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক হোসেনুর রহমান, পুরাণতত্ত্ববিদ নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকার এর মত বুদ্ধিজীবীরা এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

শুভাপ্রসন্ন এদিন বলেন, একটা বাইরে থেকে আসা মানুষ বাংলাকে কাঙ্গাল বলছেন। এটা বাংলার প্রতি অপমান। এই উগ্রতার মধ্য শুধুই অসহিষ্ণুতা আছে। তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

শাঁওলি মিত্র বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আমাদের সকলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

সুবোধ সরকারের কথায়, বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় ম্যালেরিয়া,ডেঙ্গুর নাম নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ। আমার বিশ্বাস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ভারত এই ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়ার হাত থেকে মুক্ত হবে।

কবি জয় গোস্বামী বলেন, ধর্মে ধর্ম বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। অবিশ্বাসের বিষ ছড়ানো হচ্ছে। একমাত্র মমতা বন্দোপাধ্যায়ই এর বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছেন।

কবীর সুমনের বক্তব্য, যে করে হোক মোদির বিদায় ঘটাতে হবে। আর মমতাকে জেতাতে হবে। মমতার কাজের মধ্যই একমাত্র বিপ্লব দেখা যাচ্ছে।

বিদ্বজ্জনেরা এদিন যে প্রেস রিলিজ দিয়েছেন তাতে বলা হয়েছে, বাংলাকে জবর দখল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মোদির আমলে ধ্বংস হয়ে গেছে দেশের অর্থনীতি। দেশের সামরিক বাহিনীকেও ফ্যাসিস্ট কায়দায় দখল করার অপচেষ্টা চলছে।