টিডিএন বাংলা ডেস্ক : কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের ঘটনায় হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। এফআইআর-এ নাম আছে তাঁর। সেই মামলাতেই আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টে যান একদা তৃণমূলের এই সেকেন্ড ইন কমান্ড। চলতি সপ্তাহে মামলার শুনানির সম্ভাবনা বিচাপতি জয়মাল্য বাগচি ও বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে।

সরস্বতী পুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে খুন হন তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাঁর দেহ শক্তিনগর হাসপাতালে নিয়ে যান। তরুণ নেতার নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙ পড়ে নদিয়া জেলা তৃণমূলের সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, এরপর নদিয়া জেলায় মুকুল রায় ঢোকার সাহস দেখালে তার পরিণাম ভয়ঙ্কর হবে। একইভাবে মুকুলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি তথা নদিয়ার অন্যতম পর্যবেক্ষক অনুব্রত মণ্ডল। নাম না করে মুকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, যদি কেউ ভেবে থাকেন, দিল্লির নেতাদের পাজামা ধরে ঝুলে পাড় পেয়ে যাবেন, তাঁরা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। পুলিশ মন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলার ধরে শ্রীঘরে ঢোকাব।

যদিও ঘটনার দিন মুকুল রায় সাংবাদিক বৈঠক করে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর কথায়, এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।

তিনি আরো বলেন, নিজেদের লোকের মধ্যেই ছিলেন সত্যজিৎ বিশ্বাস। সেখানে তৃণমূলের লোক ছাড়া আর কেউ ছিল না। বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। সিবিআই কিংবা সিআইডি নয় দরকারে অন্য কোনো রাজ্যের এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করা হোক। সত্য ঘটনা বেড়িয়ে আসবে।