টিডিএন বাংলা ডেস্ক: মদ খেয়ে মত্ত হয়ে একটি বাড়িতে ঢুকে একা পেয়ে এক ছাগলকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম কৃষ্ণ হালদার। ছাগলের সঙ্গে কুকর্ম করার সময়ই তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। এরপর তাঁকে গণধোলাই দিয়ে পুলিসের হাতে তুলে দেয় এলাকাবাসী। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায় পূর্ব সাহাপুর গ্রামে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, পূর্ব সাহাপুর গ্রামে বাসিন্দা ভোম্বল মান্ডির বাড়িতে একটি ছাগল রয়েছে। মঙ্গলবার ঘরে ছাগলটিকে বেঁধে রেখে মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলেন ভোম্বল মান্ডি। সেই সময় ছাগলটিকে একা পেয়ে সুযোগ বুঝে ভোম্বল মান্ডির ঘরে ঢুকে পড়েন কৃষ্ণ হালদার। অবলা জীবটির উপর পাশবিক অত্যচার চালান। সেইসময় ভোম্বল মান্ডির বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন গ্রামেরই কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ। অপকর্ম করতে দেখে তাঁরাই হাতেনাতে ধরে ফেলেন অভিযুক্ত কৃষ্ণ হালদারকে।

এরপরেই চলে তুমুল গণধোলাই। মারধরের চোটে গুরুতর জখম হন ওই যুবক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কালনা থানার পুলিস। অভিযুক্ত কৃষ্ণ হালদারকে উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে কালনা মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে।

যদিও পূর্ব সাহাপুরের কালিতলা এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত কৃষ্ণ হালদার দাবি করেছেন, মত্ত অবস্থায় ভুলবশত এমন ‘কাজ’ করে ফেলেছেন তিনি। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।