টিডিএন বাংলা ডেস্ক: আঁটোসাঁটো নজরদারি, এমনকি ইন্টারনেট বন্ধ রেখেও প্রথম দিনের মাধ্যমিকের বাংলা প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যায়। এরপর বুধবার ফের দ্বিতীয় দিনে ইংরেজি প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জন শুরু হয়। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হতে দেখা গেল যেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে আর যে প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে সেই দুটি সম্পূর্ণ আলাদা। অতএব কিছুটা হলেও ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল পর্ষদ কর্তৃপক্ষের।

২০২০ শিক্ষাবর্ষের এদিন ছিল ইংরেজি পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপ ফেসবুক এমনকি টিকটকের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ইংরেজি প্রশ্নের ছবি। তবে প্রশ্নের সত্যতা যাচাই করতে অপেক্ষা করতেই হয় পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত। প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে খবর পেতে রেগে যান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠান তিনি। তবে পরীক্ষা শেষে দেখা যায় ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে পরীক্ষা হওয়া প্রশ্নপত্রের কোন মিল নেই। এতে খানিকটা স্বস্তি পেয়েছে পর্ষদ কর্তৃপক্ষ।

গতবার সাত দিনে সাতটি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবারেও গতকাল ছিল প্রথম ভাষার পরীক্ষা। সেই প্রশ্নপত্র পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিটের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শিক্ষা শেষে দেখা গিয়েছিল ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রের সাথে হুবহু মিলে যাচ্ছে বাংলা ভাষার প্রশ্নপত্রটি। গতকাল এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি পর্ষদ কর্তৃপক্ষের তরফে। এখন দেখার পর্ষদের আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা দিয়ে আগামী দিনগুলিতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস আটকাতে কতটা সমর্থ হয় পর্ষদ কর্তৃপক্ষ।