নাসির উদ্দিন, টিডিএন বাংলা, কলকাতা : অনেক পাপ করেছে মায়ানমারের সেনাবাহিনী। এবার বিচার করতে হবে অপরাধীদের। বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে মায়ানমার দূতাবাসের সামনে এসআইও-র রাজ্য সভাপতি ওসমান গনি বলেন, “মায়ানমারের রোহিঙ্গা জন জাতির উপর যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হচ্ছে তা মানবতাবিরোধী অপরাধ। এই গণহত্যায় জড়িত অপরাধীদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ ও মিয়ানমারের প্রতিবেশীদেশগুলোর নিষ্ক্রিয়তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতিসংঘকে অবিলম্বে নির্যাতিত-নিপীড়িত, ঘরছাড়া রোহিঙ্গা মুসলমানদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।”

 

 

মায়ানমারের আরকানে মুসলমান নারী ও শিশু নির্যাতন, নির্বিচারে গণহত্যা বন্ধ এবং রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবীতে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ মিছিলসহ মায়ানমার দুতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করে ছাত্র এসআইও। রোহিঙ্গাদের উপর চলমান বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি তোলেন তারা। রক্তপিপাসু মায়ানমারের জননেত্রী আন সান সু চি শান্তির জন্য নোবেল পাওয়ার কোনো যোগ্যতাই নেই বলে আওয়াজ তোলে ছাত্ররা। এদিন বিক্ষোভ সভায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী হিন্দের রাজ্য সভাপতি মুহাম্মদ নুরউদ্দিন,বন্দি মুক্তি কমিটির কনভেনার ছোটন দাস,আলিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সাইদুর রহমান প্রমুখ। মানবাধিকার কর্মী ছোটন দাস রোগিঙ্গা ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের মনোভাবের তীব্র বিরোধীতা করে বলেন, “এই পর্যন্ত প্রায় এক লক্ষের অধিক মানুষের জীবন বিপন্ন অথচ বিশ্ব বিবেক নিশ্চুপ, যা মানবতার লজ্জা। আর ভারতবর্ষে অবস্থিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পুনরায় মায়ানমারের দানব সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া মানবতা বিরোধী। কেন্দ্রের মোদী সরকারের এমন প্রচেষ্টা খুবই ন্যক্কারজনক।” জামাতে ইসলামি হিন্দের রাজ্য সভাপতি মুহাম্মদ নুরুদ্দিন টিডিএন বাংলাকে একান্তে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের উপর যেভাবে পাশবিক অত্যাচার, ধর্ষণ, খুন ইত্যাদি মানবতা বিরোধী জঘন্য কাজ করা হচ্ছে তা ইতিহাসে বিস্ময়কর অধ্যায়। একটি সভ্য সমাজে এইসব চলেনা।”