টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ঘটা করে অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাজার হাজার মানুষের সামনে সংবর্ধিত হওয়া থেকে এবারেও বঞ্চিত থাকল হাইমাদ্রাসা, আলিম ও ফাজিলের কৃতী ছাত্রছাত্রীদের। আজ বুধবার বিকেলে ৩ টেয় নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ঘটা করে সম্বর্ধনা দেওয়া হবে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, সিবিএসই কৃতী ছাত্রছাত্রীদের। রাজ্য স্কুল বোর্ডের সবাই ডাক পেলেও বঞ্চিত থাকলো হাই মাদ্রাসা আলিম ও ফাজিল ডাক পেলনা। যদিও হাই মাদ্রাসায় আলাদা করে সম্বর্ধনা দেওয়া হবে বলে জানান হয়েছে সংখ্যালঘু দফতর থেকে।

গত বছর থেকে রাজ্যের কৃতী ছাত্রছাত্রীদের ঘটা করে সম্বর্ধনা দেওয়ার রেওয়াজ চালু হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অভিভাবকদেরও ডাকা হয়। হাজার হাজার মানুষের সামনে মুখমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে সম্বর্ধনা নেওয়া এক অনন্য ব্যাপার। গত বছর প্রায় ২০০ জনকে সমবর্ধিত করেছিল মুখমন্ত্রী। সেই সম্বর্ধনা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল মাদ্রাসার আলিম ও ফাজিল ছাত্রছাত্রীরা। এবারেও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক প্রথম দশ জনকে সংবর্ধিত করা হবে। সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সিবিএসি, আইসিএসই বোর্ডের প্রথম ৫ জনকে মিলিয়ে মোট প্রায় ২৫০ জনকে সমবর্ধিত করবেন মুখমন্ত্রী। এই সবকিছু থেকে এবার বঞ্চিত থাকবে মাদ্রাসার কৃতী ছাত্রছাত্রীরা। তবে মুখ্যমন্ত্রী তাদের সম্বর্ধনা করবেন না তা নয়, তাদের আলাদা করে নবান্নে ডেকে সম্বর্ধনা করবেন বলে জানা গেছে। অবশ্য তাদের দিনক্ষণ এখনো জানা যায়নি।

এখন শিক্ষা মহলে প্রশ্ন, মাধমিক, উচ্চমধ্যমিকের বোর্ডের সম্বর্ধনা দেওয়া হচ্ছে সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বোর্ডের সম্বর্ধনাও দেওয়া হবে , তখন এই সরকারের অন্য বোর্ডের আলাদা ভাবে দেওয়া হচ্ছে কেন? শিক্ষামহলের প্রশ্ন মাদ্রসা বোর্ড বলেই কি কৃতী ছাত্রছাত্রীদের আলাদা করে নবান্নে ডাকা হচ্ছে? অনেকের মতে এভাবেই রাজ্য সরকার কৃতী ছাত্রছাত্রীদের বিভাজন করছে। মাদ্রাসার সঙ্গে স্কুলের কৃতিদের সমান গুরুত্ব দিচ্ছে না। আজকের অনুষ্ঠানের মাদ্রাসার কৃতী দের না ডাকায় সমালোচনার মুখে রাজ্য সরকার।
সূত্র: দিনদর্পন