টিডিএন বাংলা ডেস্ক : তৃণমূলের পার্টি অফিসে ঢুকে দুষ্কৃতীরা গুলি করল কাউন্সিলর মিঠুন ঠিকাদারকে। ঘটনাটি ঘটেছে বজবজে।

পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা বজবজ পৌরসভা ২০ নম্বর ওয়ার্ডের পার্টি অফিসে ছিলেন কাউন্সিলর মিঠুন ঠিকাদার। তখনই, অফিসের মধ্যে ঢুকে তাঁকে পরপর দু’টি গুলি করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন কাউন্সিলর মিঠুন ঠিকাদার। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে।

খুনের ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেছেন, “এটা বিজেপির কাজ। ঠিক কী কারণে এই খুন, কে খুনি, কার হাত দিয়ে এই খুনের ঘটনা ঘটেছে সেটা বোঝা যাচ্ছে না।”

সিএমআরআই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে গুলিবিদ্ধ মিঠুনবাবুকে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূত্রের খবর, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের ওই পার্টি অফিসের বাইরে রাত ন’টা নাগাদ আচমকাই বোমা ফাটায় কিছু অপরিচিত ব্যক্তি। তখনই অফিসের বাইরে বেরিয়ে কী হয়েছে দেখতে আসেন মিঠুন বাবু।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মিঠুনবাবু বেরোতেই তাঁকে লক্ষ করে দু’রাউন্ড গুলি ছোড়ে আততায়ীরা। একটি গুলি তার মধ্যে পেটে লাগে তাঁর।

মিঠুনবাবু গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর ছড়াতেই এলাকায় চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। কী কারণে, কারা কাউন্সিলরকে লক্ষ করে গুলি চালাল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

কয়েক দিন আগেই নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত ফুলবাড়ি এলাকায় বাড়ির কাছেই তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসকে (৪০) লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। শক্তিনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই ঘটনার পরে অনেকেই মনে করেছিলেন, উনিশের ভোটের আগে রাজনৈতিক খুন শুরু হয়ে গেল। সেই মনে করায় যে খুব একটা ভুল ছিল না, তা প্রমাণ করল সোমবারের বজবজের ঘটনা।