টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ৪৬ জন সদস্য নিয়ে বাঁকুড়া জেলা পরিষদ গঠিত হল। এই বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার গোটা শহরজুড়ে সবুজ আবিরের খেলায় মেতে ওঠে বাঁকুড়াবাসী। জেলা পরিষদের মোট ৪৬  জন প্রার্থীই  তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করে। তবে বিরোধী প্রতিনিধি না থাকলেও সভাধিপতি ও সহ সভাধিপতি পদে দলের মধ্যে বেশ কয়েকজন দাবিদার ছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো দলের রাজ্য প্রতিনিধি রাজ্যসভার সাংসদ সান্তনু সেন সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সভাধিপতি ও সহ সভাধিপতির নাম ঘোষণা করতেই সকল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার লক্ষ্য করা যায়।

উল্লেখ্য, বাঁকুড়া জেলায় ২ লক্ষ ৪৪ হাজার সংখ্যালঘু মুসলিম বসবাস করে। এ ছাড়া খ্রিস্টান, জৈন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ আছে। ৪৬ জন জেলা পরিষদ সদস্যের মধ্যে যদিও কোনও সংখ্যালঘু প্রতিনিধি নেই। কিন্তু লক্ষ লক্ষ মুসলিম যেখানে বাস করে সেই জেলায় একজন মুসলিম প্রতিনিধি তৃণমূলের জেলা পরিষদে নেই কেন,উঠছে প্রশ্ন। অনেকেই প্রশ্ন করছেন, যদি একজন মুসলিম না থাকে তাহলে বিজেপির সমালোচনা কি শুধুই লোক দেখানো? সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। মুসলিম নেতারাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।