নিজস্ব প্রতিনিধি, টিডিএন বাংলা, কলকাতা : আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে আয়োজিত “আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃ বিভাগীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতা ২০১৮ ” তে জয়ী হল কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ক্রিকেট দল। দুই দিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ক্যাম্পাসের বিভিন্ন বিভাগের মোট ২৪ টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ।

আট ওভারের ফাইনাল ম্যাচে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নিপুণ বোলিং ও ফিল্ডিং এর সাঁড়াশি আক্রমনের সামনে মাত্র ৪৬ রানে শেষ হয়ে যায় ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের ইনিংস।

৪৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ওপেনার রামিজ রাজা ও শাহরোজ আহমেদ এর দুর্দান্ত ব্যাটিং এর সুবাদে বিনা উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় । ফাইনাল ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং এর সুবাদে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের রামিজ রাজা। অন্যদিকে ম্যান অফ দ্য সিরিজ নির্বাচিত হন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শাহরোজ আহমেদ ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় রেজিস্ট্রার জনাব নুরশেদ আলি বলেন, “ছাত্রছাত্রীরা যেভাবে এই টুর্নামেন্ট পরিচালনা করেছে তাতে আমারা গর্বিত । আমার মনে হয় আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস তোমরা নতুন করে লিখতে পারবে । এই ধরনের গঠনমূলক উদ্যোগের পাশে বিশ্ববিদ্যালয় সব সময়ই থাকবে । আগামীদিনে খেলাধুলা পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দিকেও এগিয়ে আসবে আশা রাখি। ”

টুর্নামেন্টের অন্যতম উদ্যোগক্তা শফিক আহমেদ বলেন, ” মানুষের সাধারণ প্রয়োজনে খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের সঙ্গে এখন স্মার্ট ফোন ও জিও কানেকশন যুক্ত হয়েছে ।আগামীদিনেও এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহনের মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করব ছাত্রছাত্রীদের তার বাইরে বের করে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে মানুষের ধারনাকে আরও ভাল প্রতিষ্ঠান হিসাবে তুলে ধরার।”

এই টুর্নামেন্টের এর অন্যতম আয়োজক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ছাত্র আসিফুর রহমান বলেন, ” ছাত্রজীবনে পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার এক বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে । খেলাধুলার মাধ্যমে একটি ছাত্রের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে। যা ছাত্রছাত্রীদের নিজের ভবিষ্যত গঠনে উল্লেখ যোগ্য ভুমিকা রাখে । এই ধরনের উদ্যোগ আগামীদিনে ছাত্রছাত্রীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়ার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠ পড়াশোনার পরিবেশ তৈরির পক্ষে সহায়ক হবে।”