টিডিএন বাংলা ডেস্ক: বাংলাকে পাখির চোখ করে এগিয়েছেন মোদী থেকে যোগী কিংবা অমিত শাহ। অথচ যোগীর সভায় গরহাজির প্রার্থী নিজেই। তার ওপর ভরল না মাঠ। সব মিলিয়ে চিন্তা বাড়ল বঙ্গ বিজেপির। সংবাদ মাধ্যমের ফোন ধরছেন না প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। টিডিএন বাংলার তরফেও তাঁকে ফোন করা হয়েছিল। ফোন ধরেননি তিনি। তবে জানা গেছে, তিনি অসুস্থ। বিজেপি নেতৃত্ব সেই যুক্তি মানতে নারাজ।

বনগাঁয় বিজেপি প্রার্থী নিজেই মঞ্চে নেই। সোমবার এই কাণ্ড চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বিজেপি নেতৃত্বের কপালে। বিজেপির অন্দরে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, তৃণমূলের সঙ্গে কি তলে তলে যোগাযোগ করছেন প্রার্থী। নাকি হারের আশঙ্কায় আগে থেকে রণে ভঙ্গ দিলেন! জোর জল্পনা শুরু হয়েছে মুরলীধর স্ট্রিটের গেরুয়া বাড়ির কর্তাদের মধ্যে।

সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় ছিল যোগীর জনসভা। মতুয়া অধ্যুষিত এই আসন পাখির চোখ করেছে বিজেপি। উদ্বাস্তুদের আবেগ কাজে লাগিয়ে সেখানে পদ্ম ফোটাতে মরিয়া বিজেপি।

আগেই বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের ঠাকুরনগরে সভা করে গিয়েছেন মোদী। দেখা করেছেন বড়মা বীণাপানি দেবীর সঙ্গে। সোমবার বনগাঁ শহরে সভা করেন আদিত্যনাথ। সেখানে দেখা মেলেনি ওই কেন্দ্রের প্রার্থীর। ভরেনি মাঠ।

প্রার্থীর গরহাজির থাকার খবর আগে থেকে ছিল না বিজেপি নেতৃত্বের কাছে। শান্তনু ঠাকুরের অনুপস্থিতিতে বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দলের নেতাদের ফোন ধরছেন না তিনি। ফোন ধরেননি টিডিএন বাংলারও।

এব্যাপারে মতুয়া মহাসংঘের যুব সভাপতি তন্ময় বিশ্বাস জানান, রবিবার থেকে গুরুতর অসুস্থ তিনি। প্রচণ্ড গরমে অনিয়মে জ্বর ও পেট খারাপ হয়েছে। তিনি জানান রাতেই ডাক্তার ডেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। স্যালাইন চলছে। একথা বিজেপি নেতৃত্বকে জানানো হয়নি কেন? এর উত্তরে তিনি বলেন, সময় পাওয়া যায়নি। এই যুক্তি মানতে নারাজ রাজ্য নেতৃত্ব।