নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা : বসিরহাট বাদুরিয়ার ঘটনার পর প্রচার হয়েছিল যে, হিন্দু সংহতি ও মীমের সভা সমিতি করার ওপর নাকি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য সরকার। এই নিয়ে হইচই কম হয়নি। হিন্দু সংহতির তপন ঘোষ ও মীমের আসাদুদ্দিন ওআইসি সেদিন এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন? কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কি কোনও লিখিত অর্ডার আছে?  মিডিয়া যায় বলুক, এখনও কিন্তু রাজ্যে জোর কদমে কাজ করে চলেছে হিন্দু সংহতি। বাংলায় মীমের আনুষ্ঠানিক কাজ না থাকলেও বেশ কিছু লোক অবশ্য এমআইএমের ব্যানারে আলোচনা সভা করছে।

 

হিন্দু সংহতির সভাপতি তপন ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, “এই বছর আমাদের দেশমাতৃকার বিভাজনের ৭০ বছর পুরো হচ্ছে। সেই বেদনাদায়ক স্মৃতি জাগিয়ে রাখতে হবে। সেটাই প্রতিহত করবে মৌলবাদী শক্তির দ্বারা পুনরায় দেশবিভাজনের চক্রান্তকে।
তাই আমরা রাস্তায় নামছি ১৬ই আগস্ট। তার সঙ্গে প্রতিবছরের মত স্মরণ করব হিন্দুবীর গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়কে,  যিনি ১৯৪৬ সালে রক্ষা করেছিলেন কলকাতার হিন্দুকে। ১৬ আগস্ট মুসলিম লীগের পাকিস্তানের দাবীতে রক্তাক্ত হয়েছিল কলকাতার রাজপথ। গোপাল মুখোপাধ্যায়ের বীরত্ব থেকে প্রেরণা নিয়ে আমরাও সংকল্প নিয়েছি এই বাংলায় হিন্দু রক্ষার। আমাদের কর্মসূচীর এবার প্রধান অতিথি কাশ্মীরের হিন্দু আন্দোলনের নেতা শ্রী সুশীল পণ্ডিত। আমাদের মিছিল শুরু বেলা ১-টায় রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে। শেষ হবে হেদুয়া পার্কের কাছে বেলা ৩-টায়। সবাইকে আমন্ত্রণ জানাই।”

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আবার ১৫ আগস্ট কেউটিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি এবং হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে আয়োজিত  থেকে একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন তপন ঘোষ। হিন্দু সংহতি  পতাকা উত্তোলন করা হয়। কিছুদিন আগে হাওড়া জেলার বাগনানের  শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন কাশ্মীরি হিন্দু নেতা শ্রী সুশীল পণ্ডিত, হিন্দু সংহতির  কমিটির পক্ষে দেবদত্ত মাজি, ঋদ্ধিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুন্দ কোলে, রঞ্জিত মল্লিক।
টিডিএন বাংলার শুধু প্রশ্ন নয়, সকল মানুষের জিজ্ঞাসা-মিডিয়ায় হিন্দু সংহতি ও মীমের সভায় নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যে খবর প্রচারিত হয়েছিল তা কি মিথ্যে? আর যদি সত্যি হয় তবে সেই নিষেধাজ্ঞা কতদিনের জন্য ছিল? নাকি সবই হুজুগের আলোচনা? উঠছে প্রশ্ন।