নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা: জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন চলছে। বিভিন্ন জন বিভিন্ন মন্তব্য করছেন। এরই মাঝে বাংলার জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী কবির সুমনের মন্তব্য,’এন আর এসের ঘটনা নিয়ে মূলস্রোত যা বলছে আমি তা না বলায় বাঙালি ভদ্রলোকরা আমায় গালাগাল দিচ্ছন ঠিক যেভাবে তাঁরা মমতাকে দেন। সাবাশ!’

শিল্পী সপ্তর্ষি ঘোষের একটা লেখা শেয়ার করে কবির সুমন ফেসবুকে লেখেন,’রুগীর মৃতদেহ আটকে রাখার অধিকার ডাক্তারবাবুরা কোথায় পেলেন?’ যে লেখাটি কবির সুমন শেয়ার করেছেন সেখানে সপ্তর্ষি বাবু সকল ডাক্তার প্রেমি মানুষের কাছে সবিনয়ে নিবেদন জানিয়ে লিখেছেন,’এনআরএস হাসপাতলে মৃত রোগীর বাড়িরলোক ও পরিজনদের অভিযোগ ছিলো চিকিৎসা গাফিলতি নিয়ে। কর্তব্যরত জুনিয়র ডাক্তারদের সাথে এই নিয়েই বচসা হয়, গালিগালাজ ও চলে(মারামারি রক্তারক্তি তখনো ঘটেনি)। পুলিশ প্রশাসন মৃত ব্যক্তির বাড়ির লোককে নিচে নামিয়ে বাইরে বার করেদেয়।

এরপরে জুনিয়র ডাক্তাররা দাবি করলেন মৃত ব্যক্তির পরিজন লিখিত ক্ষমা না চাইলে মৃতদেহ দেবেননা, ডেথ সার্টিফিকেটও দেবেন না। এ হেন অবস্থানের অধিকার জুনিয়র (কি সিনিয়র) ডাক্তার দের কে দিলো?

এই বচসা হল বিকাল ৫ টার কিছু পর। আর দু’পক্ষের মারামারি হল রাতে। এতক্ষন মৃতদেহ আটকে রাখা হল? এই সকল বয়ান জুনিয়র ডাক্তাররা গর্বের সাথে ক্যামেরার সামনে প্রচার করছেন।

তাদের শারীরিক আচরণ এবং শব্দ প্রয়োগ বলে দিচ্ছে তারা যেন একটা ঝামেলারই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কারন তারই বলছেন হোস্টেল থেকে সবাইকে ডেকে আনা হয়েছিলো।

এর পরে দু’পক্ষের সরাসরি যুদ্ধ হল। একজন ডাক্তারের স্কাল ভাঙলো, অন্যদিকে মৃত রোগীর পক্ষের একজন কে মাটিতে ফেলে মারা হল (আমরা ভিডিও দেখলাম) পুলিশ তাকে উদ্ধার করল।

খুব জানতে ইচ্ছা করছে দু পক্ষের মারামরিতে যদি উল্টোটা হতো। মানে মৃতপক্ষের কোন লোকের যদি মাথার স্কাল ভেঙে যেত এবং অন্যদিকে মৃত রোগীর বাড়ির লোকেরা কোন ডাক্তার বাবু কে মাটিতে ফেলে পেটানো দেখতাম তাহলে আপনাদের অবস্থান টি ঠিক কি হত?’ তবে এই ধরণের খবর, ভিডিও শেয়ার ও মন্তব্যের কারণে কবির সুমন সুমনের সমালোচনা শুরু হয়েছে। যাকে শিল্পী ‘সাবাস’ বলে এড়িয়ে গেছেন।