যেহেতু পুরোটা আমাদের পুলিশ যেতে দেয়নি ৷ আমরা সেভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারিনি ৷ তবুও বহু বন্ধু জানতে চাইছে তাই জানালাম ৷ এটা ব্যক্তিগত বক্তব্য ৷ এপিডিআরের সমষ্টিগত বক্তব্য আর একবার যাওয়ার পরেই রিলিজ করা হবে – এরকমই ভাবনা আছে ৷” শুধু রঞ্জিত সূর নন, ধুলাগড় এলাকার মানুষ বলছেন জি নিউজের ছবি  সেখানকার নয়। একজন বললেন, “আমরা এখানে থাকি, লোক গুলিও পরিচিত, জায়গাও পরিচিত। আমরা এই সব চিনতেই পারছিনা।” আরও প্রশ্ন উঠছে,ওই ঘটনার সময় জি নিউজের সাংবাদিক কি ওখানে ছিলেন? যদি থাকেন তবে কি তিনি এই ঘটনার খবর আগে থেকেই জানতেন? অনেকের অভিযোগ, ওই সংবাদ মাধ্যমটি বিজেপি আরএসএস প্রভাবিত। কিন্তু এই রকম একটা সেন্সিটিভ ইস্যুতে এক কেন্দ্রিক খবর পরিবেশন মিডিয়ার মৌলিক নীতিকে লঙ্ঘন করেছে বলে অনেকের মত। তাই জি নিউজের সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার খবর শুনেও দায়িত্বশীল সাংবাদিকরা নীরব। আসলে এটাই ভারত, যেখানে উগ্রতাকে কোনও ভাবেই প্রশ্রয় দেয়না।