কৌশিক সালুই, টিডিএন বাংলা, বীরভূম : বীরভূম জেলার বিধায়কদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক হলো পুলিশ সুপারের দপ্তরে। মঙ্গলবার সিউড়িতে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পলিশ সুপার শ্যাম সিং, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুবিমল পাল, সিউড়ি বিধান সভার বিধায়ক অশোক চ্যাটার্জী, জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধক্ষ কেরিম খান, শাসক দলের রাজনগর ব্লকের সভাপতি সুকুমার সাধু,লাভপুর ব্লক সভাপতি তরুণ চ্যাটার্জী,তৃনমূলের জেলা কমিটির সদস্য আব্দুল মান্নান এবং সাঁইথিয়া বিধানসভার বিধায়ক নিলাবতী সাহার পক্ষ থেকে একজন প্রীতিনিধি।

এদিন বৈঠকে মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়। নদীয়ার বিধায়ক খুনের ঘটনার পরই জেলার বিধায়কদের নিরাপত্তা বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বাড়তি সর্তকতা অবলম্বন করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে বিধায়কদের। মিটিং সরকারি বা দলীয় কর্মসূচী যে কোন জায়গায় যাওয়ার ক্ষেত্রে সব সময় সংশ্লিষ্ট এলাকার থানাই জানানোর কথা বলা হয়েছে বিধায়কদের।

সূত্র মারফত জানা গেছে, সিউড়ির বিধায়ক অশোক চ্যাটার্জী পুলিশ সুপারের কাছে অনুরোধ করেছেন যেন প্রত্যেক বিধায়ককে পাইলট গাড়ি দেওয়া হয়।এছাড়াও দুই ব্লক সভাপতি নিজেদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করেন।অশোক চ্যাটার্জীর জানান, “আমরা প্রত্যেক বিধায়কদের পাইলট দেবার জন্য অনুরোধ করেছি।এছাড়াও স্পর্শকাতর এলাকারগুলি নিয়েও কথা হয়।” যদিও নিরাপত্তা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে কংগ্রেসের বিধায়ক মিটলন রশিদ কটাক্ষ করে বলেন,”রাজ্যের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারে না পুলিশ।খুন হতে হয় শাসক দলের বিধায়ককে।পুলিশ খুনিদের ধরতে ব্যর্থ সেই পুলিশ আমাকে কি নিরাপত্তা দেবে ।আমি জন প্রীতনিধি আমার কোনো পলিশের নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই।আমি পুলিশকে বলবো আমার নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়ার জন্য।”

বীরভূম জেলা আর পাঁচটা জেলার থেকে অনেক বেশি স্পর্শকাতর।এছাড়াও রাজনৈতিক সংঘর্ষে বার বার সংবাদ শিরোনামে এসেছে বীরভূম জেলা এবং বোমা গুলির লড়াই জেলায় খুব সাধারণ ব্যাপার।তাই এই এলাকার হেভিওয়েট নেতাদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপোষ করতে রাজি নয় জেলা প্রশাসন। যদিও কি কারণে হটাৎ এতো নিরাপত্তা বৃদ্ধি সেই নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ জেলা প্রশাসন।