পাঠকের কলমে, টিডিএন বাংলা: টিডিএন বাংলার ওয়েবসাইটের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর। ‘সত্যের পক্ষে খবরের আওয়াজ’ যার মূল মন্ত্র।  সমাজ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে টিডিএন বাংলা সেই পরিবর্তনের শরিক হয়েছে। বাংলার সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিক্ষা থেকে রাজনীতির আঙিনায় তুলে এনেছে বিবর্তন।

বাংলা ভাষায় টিডিএন বাংলা খুব অল্পদিনের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় পোর্টাল হয়ে উঠে। এবং জনমানসে গভীর প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। সত্যনিষ্ঠ সংবাদ ও তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যার মধ্য দিয়ে খবরের ক্ষেত্রে এক নতুন মাত্রা যোগ করে চলেছে টিডিএন বাংলা।

শিক্ষিত মানুষের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য, বিশ্লেষণ, যুক্তি-তর্ক হাজির করে তাঁদের মতামতকে প্রভাবিত করে চলেছে টিডিএন বাংলা। পাঠকদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে সচেতনতা। বহু গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের ওপরে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সম্মান আদায় করেছে টিডিএন বাংলা।

ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে ধর্মের প্রতি পূর্ণ মর্যাদা রেখে সব ধর্মের মহান দিকগুলি সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরে ঐতিহ্য ও পরম্পরা রক্ষায় তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ধর্মের বৈষম্যমূলক আচরণে সর্বদায় সরব টিডিএন বাংলা। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ শিক্ষিত মানুষের কাছে খুবই সমাদৃত হয়ে উঠেছে এই জনপ্রিয় মাধ্যম। ধর্মীয় ভাবধারা ও মূল্যবোধ রক্ষায় পালন করে চলেছে সচেষ্ট ভূমিকা।

টিডিএন বাংলার উদ্দেশ্য, প্রকৃত ঘটনাকে জনসমক্ষে নিয়ে আসা। ছবির বিশ্বাসযোগ্যতা বেশি তাই সব ঘটনাকে ছবির মাধ্যমে পরিবেশন করার ক্ষেত্রে অনবদ্য ভূমিকা পালন করে চলেছে টিডিএন বাংলা। সামাজিক স্বার্থে, জনসাধারণের স্বার্থে কাজ করে চলেছে টিডিএন বাংলা। জনস্বার্থ, সামাজিক সুরক্ষাই হল টিডিএন বাংলার মুল কথা।

আঞ্চলিক ভাষায় পোর্টাল হলেও টিডিএন বাংলার পাঠক সংখ্যা বহুদূর বিস্তৃত। পরিবেশনায়, দৃষ্টিকোণে, পর্যবেক্ষণে স্বাতন্ত্র রয়েছে। বিষয় বৈচিত্র্যে তৈরি করেছে অভিনবত্ব। আঞ্চলিক খবরের পাশাপাশি দেশের খবরের ওপর গুরুত্ব দিয়ে চলেছে টিডিএন বাংলা।

সব পাঠকই এখন দেশের ও রাজ্যের খবর জানার জন্য নির্ভর করে থাকে টিডিএন বাংলার ওপর। তবে বলে রাখা ভালো,  টিডিএন বাংলা নিজেকে খুব ভালোভাবেই সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হচ্ছে।

সংবাদ পরিবেশনার উন্নতমানের জন্য সিরিয়াস পাঠকদের কাছে রয়েছে টিডিএন বাংলার জনপ্রিয়তা। ঐতিহ্যকে সামনে রেখে এই পোর্টালের খবর কভারেজের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে। টিডিএন বাংলার সফল সম্ভাবনা যে উজ্জ্বল হবে তা ভালোভাবেই অনুধাবন করছেন পাঠকরা।

মহঃ আসিফ আহমেদ
হাতিয়াড়া, রাজারহাট