টিডিএন বাংলা ডেস্ক: অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন ২০১৮-১৯ সালের জন্য মাওলানা আজাদ ন্যাশ্যানাল ফেলোশিপ ফর মাইনোরিটি স্টুডেন্টস (মানফ) এর আবেদনের জন্য বিজ্ঞাপন জারি করল ।

এম ফিল ও পিএইচডি গবেষণার জন্য সংখ্যালঘু ছাত্রদেরকে এই শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়ে থাকে। দেশের মধ্যে ইউজিসি’র আওতাধীন ভারতীয় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ বা প্রতিষ্ঠান গুলির ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য। তারা যাতে নির্বিঘ্নে উচ্চ শিক্ষা চালিয়ে যেতে পারেন সেজন্যে ১৯৫৬ সালে ইউজিসি আ্যাক্টের ২(এফ) ও সেকশন ৩ ধারা অনুযায়ী এই বৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে। এই বৃত্তির আর্থিক অঙ্ক ১০০০ টাকা।

যদিও গত বছর তা বন্ধ ছিল। যাইহোক, এমাসের শুরুতে ইউজিসি (ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন) বিজ্ঞপ্তি জারি করে। জানানো হয়, যে সমস্ত পরীক্ষার্থি এবছর (২০১৮) এর জুন মাসে ও গত বছর (২০১৭) ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সিবিএসই-ইউজিসি-নেট/জেআরএফ/সিএসআইআর-নেট/যেআরফ এর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তারা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ৩১ শে ডিসেম্বর ২০১৮ অবদি আবেদন করা যাবে।

যারা অনলাইনে আবেদন জমা দিতে ইচ্ছুক তারা নীচের এই লিংকটি ব্যাবহার করতে পারেন-http://www.ugc.ac.in/ugc_schemes/

যদিও ইউজিসি’র এই বিজ্ঞপ্তিতে পুরোপুরি খুশি হতে নয় দেশের সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন ।
এসআইও এর সর্বভারতীয় সভাপতি নাহাস মালা জানান যে, মানফ স্কলারশিপের জন্য ইউজিসি যে ক্রাইটেরিয়া বেঁধে দিয়েছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। এই বিজ্ঞপ্তিতে সংখ্যালঘু শিক্ষার্থিদের জন্য অপমানজনক। বিজ্ঞপ্তিতে ১০০ টাকার বৃত্তি ও তার আবেদনের জন্য সিবিএসই-ইউজিসি নেট পাশকরা বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। ছাত্র সংগঠনটির দাবি, জেআরএফ থাকার পরও একজন ছাত্রকে কেন আলাদা করে মানফ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে হবে। সংগঠনটি প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানায় বৃত্তির আর্থিক অঙ্ক বাড়িয়ে যাতে ৩০০০ টাকা করা হয় এনিয়ে তারা গঠনমূক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। তার পাশাপাশি, মানফ বৃত্তির আবেদনের জন্য সিবিএসই-ইউজিসি নেট এই ক্রাইটেরিয়া তুলে দিতে হবে।

নতুন বিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, কেবল ২০১৭ সালের ডিসেম্বর ও ২০১৮ সালের জুনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই মানফ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সংগঠনের তরফে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় যে, এর ফলে এই দুই পরীক্ষার আগে যে সমস্ত স্কলার নেট উত্তীর্ণ তারা বৃত্তি লাভের সুবিধা থেকে বন্চিত হবেন। গতবছর যেহেতু স্কলারশিপ দেওয়া হয়নি সেহেতু এবছর স্কলারশিপের আর্থিক অঙ্ক বাড়ানোর দাবি জানান সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি নাহাস মালা।